Daily Ladiesline
Sunday, December 29, 2024
পাকিস্তানের বিখ্যাত এক আলেম দুই বিয়ে করেছেন।
তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হলো,
আপনার স্বামী যে দ্বিতীয় বিয়ে করল, আপনি এতে কষ্ট পাননি?
.
মহিলা বললেন,
মানুষ হিসেবে তো কষ্ট পাবোই।
কিন্তু আল্লাহ তা'আলা তাকে এ অধিকার দিয়েছেন। এখন কি আমি আল্লাহর দেয়া অধিকারের বিরুদ্ধে লড়াই করব?
বরং আমি নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দেই,
এটা আমার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা।
তিনি দেখতে চান, তাঁর দেয়া বৈধ বিষয়ে আমি কতটা ধৈর্যধারণ করতে পারি।
.
একাধিক বিয়ে বৈধ৷ এটা আপনাকে মানতে হবে। বিনা বাক্য ব্যয়ে মানতে হবে। কোনো যুক্তি-টুক্তি চলবে না।
যারা একাধিক বিয়ে করে, তাদের দেখে নাক সিটকানো যাবে না।
বলা যাবে না- "আরে ধুর! চরিত্র ভালো হলে কি আর দুই বিয়ে করে"!
যদি বলে থাকেন, তাহলে নতুন করে কালিমা পড়ে নেন। কারণ আপনি কুফরি করেছেন।
.
পতিতালয়, যিনা, ব্যভিচার বন্ধ করুন,
প্রয়োজনে যদি আপনার সামর্থ্য থাকে তবে একসাথে সর্বোচ্চ চারটি বৌ রাখুন,,,
Saturday, November 9, 2024
ভার্সিটি পড়ুয়া দুই ধরনের মেয়ে আছে —
১. এরা অনার্স মাস্টার্স করে সার্টিফিকেট আনে। মাথায় কিছু নাই। শুধু বয়সটা বাড়ায় ভার্সিটিতে গিয়ে। তাদেরকে বেদ্বীন ছেলেরাও তেমন একটা দাম দেয়না বয়স বাড়তি হওয়ার কারণে। প্লাস, তাদের কোন ক্যারিয়ার নাই। ক্যারিয়ারিস্টিক মানুষজন এমন মেয়ে এড়িয়ে যায়। মোটামুটি দ্বীন মানে এমন ছেলেরাও বয়স বেশির কারণে এড়িয়ে যায়।
২. এই টাইপ মেয়েরা অনার্স মাস্টার্স করে চাকরি বাকরি করে, অল্প সংখ্যক বিদেশ যায়। তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা হয় নিজের যোগ্যতার কাউকে পাওয়া। এছাড়া তাদেরকে বেদ্বীন মানুষেরা বিয়ে করতে আগ্রহীই থাকে।
দ্বীন মানে এমন ছেলেদের একটা অংশ এই উভয় শ্রেণীকেই এড়িয়ে যায়। কারণ তারা ভার্সিটির পরিবেশ সম্পর্কে জানে, বয়স কম চায়। কেউ কেউ উপরে বলা দুই নাম্বার ক্যাটাগরির মেয়েদের মাঝে যারা চাকরি করতে চায়না, ভার্সিটিতেও কষ্ট করে পর্দা করে তাদেরকে বিয়ে করে।
উভয় ক্ষেত্রে বিপদে পড়ে প্রথম শ্রেণির মেয়েরা। এদের সময় উপযোগী জ্ঞান নাই, বুদ্ধি নাই, বয়স বাড়িয়েছে এক টুকরো কাগজের আশায়। এই শ্রেণির মেয়েরা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি।
সবাই যেটা দিনশেষে আফসোস করে, বয়স নিয়ে। বয়স কম থাকতে তাদের যে আবেগ, নমনীয়তা, মেয়েলি স্বভাব থাকে এটা ভার্সিটির পরিবেশ নষ্ট করে দেয় অনেকটুকু।
কিছু কমেন্ট দেখলাম ভার্সিটিতে পড়তে যোগ্যতার আলাপ নিয়ে। ভার্সিটি কোন আহামরি জায়গা না যে এখানে পড়ুয়া মানুষের জ্ঞান বেশি থাকে। এটা নিয়ে অহংকার খুবই লোয়ার ক্লাসের চিন্তা।
— Rafael Hasan
Wednesday, November 6, 2024
স্বামী গরীব হলে
.
নারী সাহাবিদের রীতি ছিল, যখন তাঁদের কারও স্বামী ঘর থেকে বের হতো, তিনি স্বামীকে বলতেন, ‘হারাম উপার্জন থেকে অবশ্যই বেঁচে থাকবেন। কারণ, ক্ষুধা লাগলে আমরা তা সহ্য করতে পারব; কিন্তু জাহান্নামের আগুন আমরা সহ্য করতে পারব না।’
.
কিন্তু বর্তমানে বহু নারী এমন আছে, যে তার স্বামীর আর্থিক সংকটে ধৈর্যধারণ করে না; বরং তার কাছে এমন কিছু চায়, যার সামর্থ্য সে রাখে না। তাহলে স্বামী বেচারা কী করবে? সে কি চুরি করবে বা ঘুষ নেওয়া শুরু করবে? স্ত্রী এটা বোঝে না যে, ধৈর্য ঈমানের অঙ্গ। শুধু তাই নয়, ধৈর্যশীলদের আল্লাহ অফুরন্ত ও বেহিসাব প্রতিদান দেবেন।
.
কাজেই প্রিয় বোন, তুমি এমন স্ত্রী হও, যে বিপদের বিরুদ্ধে স্বামীকে শক্তি জোগায়; স্বামীর বিরুদ্ধে বিপদকে শক্তি জোগায় না। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীটি ভালো করে মনে রেখো : ‘আদমসন্তানের সৌভাগ্যের উপকরণ তিনটি, আর দুর্ভাগ্যের উপকরণও তিনটি। সৌভাগ্যেরগুলো : সতী নারী, উত্তম বাসস্থান ও উত্তম বাহন। আর দুর্ভাগ্যেরগুলো : অসতী নারী, নিকৃষ্ট বাসস্থান, নিকৃষ্ট বাহন।’ (আহমাদ)
.
'দাম্পত্যের ছন্দপতন' বই থেকে
বইটি অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://www.wafilife.com/?p=264027
Saturday, November 2, 2024
‘ইয়া আবি, জাওয়্যিজনি’ আরবি ভাষায় রচিত বিখ্যাত বই। বাংলা অনুবাদ ‘আব্বু আমাকে বিয়ে দিয়ে দিন’। বইটির লেখক আবদুল মালিক আল-কাসিম। বিয়ে, পরিবার ও সুখময় দাম্পত্য জীবনের রহস্য তুলে ধরা হয়েছে এ বইয়ে। সে বই থেকে একটি কাহিনি সংক্ষিপ্ত ও পরিমার্জিত ভাষান্তর করেছেন তাজুল ইসলাম।
অবিবাহিত একজন বয়স্ক নারীর ভাবনা
বাবার গৃহে আমি ছিলাম খুবই আদুরে মেয়ে। আমার কোনো চাওয়াই অপূর্ণ থাকত না। পাঁচ ভাইয়ের একমাত্র বোন বলে আমার স্নেহ-ভালোবাসা ও আদর-যত্নে কোনো কমতি ছিল না। সবাই আমার প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখত।
আমার সব আবদার পরিবারের সবাই বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিত। আমি গভীরভাবে পড়াশোনায় মনোযোগ দিলাম এবং মাধ্যমিক স্তরে উত্তীর্ণ হলাম।
একদিন মায়ের দেওয়া একটি সংবাদে প্রথমবারের মতো কাঁপুনি ধরল আমার হৃদয়ে। তিনি বলেন, অমুক তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
আমি আশ্চর্য হলাম, বিরক্ত হলাম। একে একে অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলাম। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণ করলাম। এদিকে প্রস্তাব আসার এই ধারাও অব্যাহত থাকল।
আমি সর্বদা একই প্রশ্ন করতাম—ছেলের যোগ্যতা কী? তার মধ্যে কী কী গুণ আছে? বিচিত্র সব পেশার যুবক এবং সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলেরা আমার পরিবারের কাছে সম্বন্ধ পাঠাত। একবার আবদুল্লাহ নামের অসাধারণ এক যুবক বিয়ের প্রস্তাব দিল। সে জ্ঞানে-গুণে অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে ছিল। তবু আমি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলাম। কারণ আমি সুন্দরী, আমি মেধাবী; আমার একটা অবস্থান আছে।
পড়ালেখা শেষে যখন কর্মজীবনে পা রাখলাম, সম্বন্ধ আসার ধারা বেড়ে গেল। তবে এতে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেল। যারা প্রস্তাব নিয়ে আসছে, তাদের বয়স খানিকটা বেশি—ত্রিশের আশপাশে!
সময় গড়াতে লাগল। এরই মধ্যে এমন একটি প্রস্তাব এলো, যা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিল। এক ব্যক্তি প্রস্তাব নিয়ে আসে যে সে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে এবং তার একটি সন্তান আছে। এমন প্রস্তাব পেয়ে প্রথমে একটা ধাক্কা খেলাম। পরক্ষণেই বললাম, বেচারা বোধ হয় আমার অবস্থা জানে না, আমি কে। তার জন্য আমার একধরনের করুণা হলো।
দিন যায়, সপ্তাহ গড়ায়, মাস ফুরায়; এদিকে আমার বয়সও বাড়তে থাকে। কিন্তু সেদিকে আমার কোনো খেয়াল নেই। আমি আমার কাজে মগ্ন। বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একদিকে আমার দৈহিক লাবণ্য ও কমনীয়তা কমতে থাকে, অন্যদিকে বাড়তে থাকে আমার কাজের চাপ ও দায়িত্বের পরিধি। আমি সবার বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে থাকি আর আবদুল্লাহর মতো এক তরুণের প্রস্তাব পাওয়ার আশায় অধীর আগ্রহে প্রহর গুনতে থাকি। কিন্তু আমার আশার গুড়ে বালি! খবর নিয়ে জানলাম, আবদুল্লাহ এখন চার সন্তানের বাবা আর আমি এখনো কুমারী বুড়ি। আমার বয়স এখন ৩০ ছুঁই ছুঁই। ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে জীবন! এইতো আমার বান্ধবী ফাতিমা, সে এখন চার সন্তানের মা। আরেক বান্ধবীর কোলজুড়ে চাঁদের মতো ফুটফুটে দুটি মেয়ে। আরেক বান্ধবী স্বামীকে নিয়ে কী সুখে দিন কাটাচ্ছে! অথচ তাদের আর্থিক অবস্থা নিতান্তই সাধারণ। আর আমি...!
আমি নির্ঝঞ্ঝাট আরামে দিনাতিপাত করছি। আসলে আমি আত্মপ্রবঞ্চনায় ভুগছি; নিজের সঙ্গে মিথ্যা বলছি। সত্যি কি আমি সুখে আছি? জনতার ভিড়ে এক অদ্ভুত নির্জনতা আমাকে জেঁকে ধরেছে। এদিকে আমার চারপাশে বিচিত্র সব ফিতনা ও পরীক্ষা এসে ভিড় জমাচ্ছে, আমাকে গ্রাস করে ফেলতে চাইছে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা আমাকে অশ্লীল ও নির্লজ্জ কাজ থেকে হিফাজত করেছেন। এরই মধ্যে আমার তীক্ষ� মেধা ও কঠিন অধ্যবসায় কর্মক্ষেত্রে আমাকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্যের সর্বোচ্চ স্তরে। কিন্তু এই সফলতা আমার কাছে অর্থহীন মনে হয়।
একদিন আমি অফিস থেকে ফিরলাম। বাসায় ফিরে দেখি, মা আমার উদ্দেশে একটি চিরকুট লিখে আমার বালিশের ওপর রেখে দিয়েছেন। তাতে লেখা, ‘মেয়ে আমার, অমুক তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছে। সে ভালো চাকরি করে, আর তার বয়সও কম। আশা করি তুমি সায় দেবে; যদিও তার অন্য এক স্ত্রী ও ছয়জন সন্তান রয়েছে। দিন কিন্তু চলে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করে আমাকে জানাও।’
আমি চিরকুটটা গভীর মনোযোগে পড়লাম এবং রাগে ফেটে পড়লাম। আমি মাথার চুলের দিকে তাকালাম। মাঝে মাঝে সাদা হয়ে ওঠা চুলগুলো লুকাতে এরই মধ্যে আমি কলপ লাগাতে শুরু করেছি। ভাবতে ভাবতে কান্নায় ভেঙে পড়লাম আমি। শেষ পর্যন্ত এমন একজন লোকও আমাকে প্রস্তাব দিল? আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। রেগেমেগে সেই সন্ধ্যায় আমি বাবার কাছে গেলাম। তাঁকে বললাম, কিভাবে আপনারা এমন একজন মানুষের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন, যার ছয়টা সন্তান আছে? বাবার জবাব আমার অন্তরে ধারালো ছুরির মতো বিদ্ধ হলো। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাসে আমাদের কাছে এমন বিবাহিতরা ছাড়া অন্য কেউ প্রস্তাব নিয়ে আসেনি। আমার ভয় হয়, কিছুদিন পর হয়তো এমন সময় আসবে, যখন প্রস্তাব আসাই বন্ধ হয়ে যাবে। মেয়ে আমার, মুরব্বিরা একটা কথা বলতেন, মেয়েরা গোলাপের মতো—ছিঁড়তে দেরি করলে পাপড়িগুলো ক্রমে শুকিয়ে আসে। আমার মনে হয়, তুমিও সেই পর্যায়ে পৌঁছে গেছ। মেয়ে, তোমার কাছে তো শত শত প্রস্তাব এসেছিল, তুমি এক এক করে সব প্রত্যাখ্যান করেছ। ও বেশি লম্বা, সে বেশি খাটো, ওর এই দোষ, অমুকের এই সমস্যা। আর এখন? এমন সময় এসেছে, তুমি আর কাউকেই পাচ্ছ না!’
অতীত স্মৃতিগুলো আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। আব্বু, আপনি যদি তখন জীবনের এই বাস্তবতা বোঝাতেন, আমি এখন আপনাকে তিরস্কার করতাম না। হায়, আপনি যদি এর জন্য আমাকে প্রহার করতেন, আমার এই পরিণতি হতো না। এসব বলতে বলতে আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।
এখন আর কোনো যুবকই আমার কাছে প্রস্তাব নিয়ে আসে না। না লম্বা, না খাটো; না ধনী, না গরিব—কেউ না।
বই : ইয়া আবি, জাওয়্যিজনি
লেখক : আবদুল মালিক আল-কাসিম
Thursday, October 31, 2024
মেয়েদের উদ্দেশ্যে বলছি, বিয়ে করার আগে ছেলের বাবা-মায়ের সম্পর্ক কেমন সেটা জেনে তারপর বিয়ে করুন। টক্সিক ফ্যামিলিতে বড় হওয়া ছেলে কোনদিন আপনাকে একটা সুস্থ সম্পর্ক দিতে পারবে না। হাজার চেষ্টা করলেও পারবে না। বাবা-মা থেকে বউকে দূরে সরিয়ে নিলেও সম্ভব না। কারণ একটা সন্তানের ছোটবেলার মেমোরি ব্রেইনে এমনভাবে সেট হয়ে যায় যেটা বড় হবার পরে সারিয়ে তোলা সম্ভব হয় না বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।
যে ছেলে আজীবন দেখে এসেছে তার বাবা-মা একে অপরকে সম্মান করে না। একে অপরের ভুল ধরাটা কে গর্বের মনে করে। সন্তানের সামনে একে অপরকে হেনস্থা করতে দ্বিধাবোধ করে না। সে বাড়ির সন্তান আর যাই হোক কোনদিন ভালো পার্টনার হতে পারে না। কারণ ছেলেবেলা থেকে সে হাজবেন্ড-ওয়াইফ এর সম্পর্কের মাঝে এই ব্যাপারগুলাকে নরমাল হিসেবেই কাউন্ট করে। তার ব্রেইন তাকে এই সিগন্যালই দিতে থাকে ক্রমাগত।
এতে করে এই যে টক্সিসিটি ক্রমাগত চক্রাকারে ঘুরতে থাকে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম। চাইলেও এই চক্র থেকে সহজে বের হতে পারে না।
আমাদের এই সমাজে মেয়েদের বিয়ের সময় ছেলে কি করে, ছেলের বেতন কত, ছেলের প্রোপার্টির খোঁজ, ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কিনা এই বিষয়গুলোতে যেভাবে জোর দেয়া হয় ঠিক একইভাবে ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড তথা-ফ্যামিলি মেম্বার কার সাথে কার সম্পর্ক কেমন এই ক্ষেত্রেও যদি একইভাবে যাচাই-বাছাই করে মেয়ে দিতো তাইলে ডিভোর্সের হার কিছুটা হলেও কমতো।
একটা সংসার একটা ঘরের মত, কয়েকটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। ঘরের একটা স্তম্ভ নড়ে গেলে ঘরটি যেমন এক দিকে হেলে পরে তেমনি সংসার জীবনে হাজবেন্ড-ওয়াফের সম্পর্কের কোন একটা দিক নড়বড়ে হলে সম্পর্ক ও এক দিকে হেলে পরে। তাই বিয়ের সময়ে কোন একটা বিষয়কে ছোট সমস্যা বলে এড়িয়ে যাবেন না। কে জানে সেই ছোট সমস্যাই একদিন বিশাল আকারে আবির্ভূত হতে পারে.......
🌻🌻
Wednesday, October 23, 2024
পুরুষ তার নারীর কিছু তুচ্ছ বিষয়ের প্রেমে পড়ে যায়। যেমন─
০১. দৃষ্টিঃ
পুরুষ বাড়ি ফিরলে, তার দিকে তার নারীর তাকানোটা, পুরুষের কাছে ভীষণ সুখকর প্রাপ্তি। যতোই ব্যস্ত থাকো, একটুকুন তাকাও চোখ মেলে। একটু ঘাড় ফিরিয়ে তাকালে চুলার রান্না পুড়ে যাবে না, একটু চোখ তুলে তাকালে ফোনের মুভিটা চিরতরে মিস হয়ে যাবে না। তোমার অমন অপরূপ চোখ দু'টির গাঢ় দৃষ্টির অপার্থিব সুখ তাকে দাও না!
০২. ধন্যবাদঃ
পুরুষ তার নারীর প্রতি স্বাভাবিক দায়িত্বগুলোই পালন করে। তবুও, তার কাজটুকুকে ধন্যবাদ দিলে, সে অকল্পনীয় সুখ পায়। একটি ফুল উপহার পেলে যে ধন্যবাদটুকু দিতে ইচ্ছে করে তোমার, সেই ধন্যবাদই তোমার দিকে তার এগিয়ে দেওয়া জলের গ্লাসটি আশা করে। এই ধন্যবাদ তাকে বুঝিয়ে দেয়─ তার প্রেমটুকু মূল্যহীন নয়। সবসময় শব্দ দিয়ে ধন্যবাদ দিতে হয় না, মিষ্টি হাসির আভাতেই নিঃশব্দে জানিয়ে দাও─ 'থাঙ্কু।'
০৩. মানসিক আশ্রয়ঃ
পুরুষ তার নারীর কাছে আমৃত্যু একটি জিনিশই চায়─ মায়ের মতো আশ্রয়। তাকে অনুপ্রেরণা দাও পজিটিভ আচরণের মাধ্যমে। তুমি তার স্বস্তি হও। নিজের চাওয়াপাওয়া নিয়ে বলতে থেকো না, তাকে বলো─ "এমাসে তুমি একটি শার্ট কিনবে।" এবং তুমিই কিনে দাও। এটি তার কাছে উপহার নয়, তার চেয়েও বেশিকিছু─ প্রেমময় আশ্রয়। তোমার পুরুষ কি একটি চুমুর সাথে একটি কলম পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না তোমার কাছ থেকে?
০৪. বন্ধুতাঃ
তুমি নিজেকে তোমার পুরুষের পুরস্কার ভেবো না। এই ভুলটি প্রায়ই করে নারীরা। মারাত্মক ভুল এটি! নারী ভেবে বসে থাকে─ 'আমি রূপবতী, আমি দেহসৌষ্ঠবে অতুলনীয়া, অতএব সে যে আমাকে পেয়েছে, এটাই বিশাল সৌভাগ্য তার।' না, সে তোমাকে পেয়েছে তার অতোটা যোগ্যতা আছে বলেই। নইলে তুমি তাকে ছেড়েই যেতে। নারীর ওই আচরণে পুরুষ মানসিকভাবে তীব্রভাবে আহত হয়। তুমি নিজেকে তোমার পুরুষের 'ট্রফি' ভেবো না। তুমি তোমার পুরুষের 'প্রাইজ' নও, ঠিক যেমন তোমার পুরুষ তোমার 'সার্টিফিকেট' নয়। একটি স্বাস্থ্যকর প্রেমজ সম্পর্কের পূর্বশর্ত হলো─ বন্ধুতা। বন্ধুতা তুচ্ছাতিতুচ্ছ আচরণেও প্রকাশ পায়: তার চুলে হাত রাখো, তাকে মিষ্টি কটাক্ষে বলো─ "শেভ করো, খোঁচা লাগছে।" বলো─ "আজকের চা তুমি বানাবে।"
সম্পর্ককে জটিল করে তুলো না, ছোট্টছোট্ট কমপ্লিমেন্টে ভরিয়ে তোলো। হ্যাঁ, এরকম তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়গুলোই পুরুষকে নারীর তীব্রতম প্রেমিক করে তোলে।
©
Tuesday, October 22, 2024
প্রত্যেক মেয়েদের এটা পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো 😭😭😭😭এই ভুল কখনই করোনা। 'স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে এসেছি।
'আসার সময় উচ্চস্বরে বলেও এসেছি
তোমার সংসার করবোনা। স্বামী আমার কথা শুনে নির্বাক হয়ে শুধুমাত্র চেয়েছিলো।
'বাবার বাড়িতে আসা মাত্রই ভাইয়া জিঙ্গেস করলো।
কি ব্যপার আয়েশা তুই হঠাৎ বাড়িতে!
'কেনো আমি কি আসতেছে পারিনা।
নাকি আসা বারন আছে।
'আরে সেটা বলিনাই।
তুইতো আসার আগে বলে আসিস। কিন্তু আজ বলে আসলিনা এই জন্যে বললাম।
'ওহ।
'আচ্ছা তুই বিশ্রাম কর।
আমি বাজার থেকে কিছু নিয়ে আসি।
'এমন মুহূর্তে ভাবি বলে উঠলো,বাহ দরদ দেখি উতলে পরতেছে বোনের জন্যে। আমার বাবা-মা আসলে বাজারে যাওয়ার নাম গন্ধ থাকেনা।
এই দিকে বোন বাড়িতে আসা মাত্রই বাজারে চলে যাচ্ছে। বলছি-কি পকেটে টাকা আছে।
নাকি বাচ্ছার স্কুলে যেই টাকা দিবা সেই টাকা
নিয়ে যাচ্ছো হ্যা।
'ভাবির এমন কথায় ভাইয়া বললো।
আরে এমন করে বলতেছো কেনো বুজলাম না।
'তোমাকে বাজারে যেতে হবেনা।
বাসায় যা আছে আয়েশাও সেটাই খাবে।
ওই টাকাটা নষ্ট করিওনা।
'ভাবির মুখে এই কথা গুলা শুনে কি বলবো
ভেবে পাচ্ছিনা।কারন পৃথিবীতে আমার এই ভাইটি ছাড়া কেউ নেই।
বাবা-মা অনেক আগেই মারা গিয়েছে।
'ভাইয়া থাক বাজারে যেওনা।
আমি থাকার জন্যে আসিনি এই দিক দিয়ে যাচ্ছিলাম
তাই ভাবলাম ভাইয়া - ভাবিকে একটু দেখে যাই।
এখনতো দেখা হলো।
আমি চলে যাচ্ছি।
'মানে এখনি যাবি।
'হ্যা ভাইয়া এখনি যাইতে হবে। আচ্ছা ভাবি ভালো থাইকেন যদি সময় পান আমার বাড়িতে আসিয়েন
ঘুরতে।
'আচ্ছা।
'এর পরে আর একটি কথাও না বলে সোজা স্বামীর বাড়িতে চলে আসলাম।
স্বামী আমাকে দেখে মিট-মিট করে হাসতেছে।
'হাসার কিচ্ছুনেই।
ভালোবাসি বলেই চলে আসলাম 🤗
'হ্যা জানিতো।
শোন তুমি রান্না বসাও আমি বাজারে থেকে
কেনা কাটা করে আসতেছি।
'আসলেই বিয়ের পরে যদি সুখের কোন স্থান থাকে সেটা স্বামীর বাড়ি।
স্বামীর বাড়ি থেকে ঝগড়া করে একবার নিজের বাবার বাড়িতে যান বাস্তবতা বুজবেন।
কে-আপন আর কে-পর বুঝা যায়।😢
🖊️সংগৃহীত
পাকিস্তানের বিখ্যাত এক আলেম দুই বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার স্বামী যে দ্বিতীয় বিয়ে করল, আপনি এতে কষ্ট পাননি? . ম...
-
প্রত্যেক মেয়েদের এটা পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো 😭😭😭😭এই ভুল কখনই করোনা। 'স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে এসেছি। 'আসার সময় উচ্চস...
-
মেয়েদের উদ্দেশ্যে বলছি, বিয়ে করার আগে ছেলের বাবা-মায়ের সম্পর্ক কেমন সেটা জেনে তারপর বিয়ে করুন। টক্সিক ফ্যামিলিতে বড় হওয়া ছেলে কোনদিন আপনাকে...



