Wednesday, October 23, 2024


 পুরুষ তার নারীর কিছু তুচ্ছ বিষয়ের প্রেমে পড়ে যায়। যেমন─

০১. দৃষ্টিঃ
পুরুষ বাড়ি ফিরলে, তার দিকে তার নারীর তাকানোটা, পুরুষের কাছে ভীষণ সুখকর প্রাপ্তি। যতোই ব্যস্ত থাকো, একটুকুন তাকাও চোখ মেলে। একটু ঘাড় ফিরিয়ে তাকালে চুলার রান্না পুড়ে যাবে না, একটু চোখ তুলে তাকালে ফোনের মুভিটা চিরতরে মিস হয়ে যাবে না। তোমার অমন অপরূপ চোখ দু'টির গাঢ় দৃষ্টির অপার্থিব সুখ তাকে দাও না!

০২. ধন্যবাদঃ
পুরুষ তার নারীর প্রতি স্বাভাবিক দায়িত্বগুলোই পালন করে। তবুও, তার কাজটুকুকে ধন্যবাদ দিলে, সে অকল্পনীয় সুখ পায়। একটি ফুল উপহার পেলে যে ধন্যবাদটুকু দিতে ইচ্ছে করে তোমার, সেই ধন্যবাদই তোমার দিকে তার এগিয়ে দেওয়া জলের গ্লাসটি আশা করে। এই ধন্যবাদ তাকে বুঝিয়ে দেয়─ তার প্রেমটুকু মূল্যহীন নয়। সবসময় শব্দ দিয়ে ধন্যবাদ দিতে হয় না, মিষ্টি হাসির আভাতেই নিঃশব্দে জানিয়ে দাও─ 'থাঙ্কু।'

০৩. মানসিক আশ্রয়ঃ
পুরুষ তার নারীর কাছে আমৃত্যু একটি জিনিশই চায়─ মায়ের মতো আশ্রয়। তাকে অনুপ্রেরণা দাও পজিটিভ আচরণের মাধ্যমে। তুমি তার স্বস্তি হও। নিজের চাওয়াপাওয়া নিয়ে বলতে থেকো না, তাকে বলো─ "এমাসে তুমি একটি শার্ট কিনবে।" এবং তুমিই কিনে দাও। এটি তার কাছে উপহার নয়, তার চেয়েও বেশিকিছু─ প্রেমময় আশ্রয়। তোমার পুরুষ কি একটি চুমুর সাথে একটি কলম পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না তোমার কাছ থেকে?

০৪. বন্ধুতাঃ
তুমি নিজেকে তোমার পুরুষের পুরস্কার ভেবো না। এই ভুলটি প্রায়ই করে নারীরা। মারাত্মক ভুল এটি! নারী ভেবে বসে থাকে─ 'আমি রূপবতী, আমি দেহসৌষ্ঠবে অতুলনীয়া, অতএব সে যে আমাকে পেয়েছে, এটাই বিশাল সৌভাগ্য তার।' না, সে তোমাকে পেয়েছে তার অতোটা যোগ্যতা আছে বলেই। নইলে তুমি তাকে ছেড়েই যেতে। নারীর ওই আচরণে পুরুষ মানসিকভাবে তীব্রভাবে আহত হয়। তুমি নিজেকে তোমার পুরুষের 'ট্রফি' ভেবো না। তুমি তোমার পুরুষের 'প্রাইজ' নও, ঠিক যেমন তোমার পুরুষ তোমার 'সার্টিফিকেট' নয়। একটি স্বাস্থ্যকর প্রেমজ সম্পর্কের পূর্বশর্ত হলো─ বন্ধুতা। বন্ধুতা তুচ্ছাতিতুচ্ছ আচরণেও প্রকাশ পায়: তার চুলে হাত রাখো, তাকে মিষ্টি কটাক্ষে বলো─ "শেভ করো, খোঁচা লাগছে।" বলো─ "আজকের চা তুমি বানাবে।"

সম্পর্ককে জটিল করে তুলো না, ছোট্টছোট্ট কমপ্লিমেন্টে ভরিয়ে তোলো। হ্যাঁ, এরকম তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়গুলোই পুরুষকে নারীর তীব্রতম প্রেমিক করে তোলে।

©

No comments:

Post a Comment

 পাকিস্তানের বিখ্যাত এক আলেম দুই বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার স্বামী যে দ্বিতীয় বিয়ে করল, আপনি এতে কষ্ট পাননি? . ম...