Saturday, November 9, 2024

 ভার্সিটি পড়ুয়া দুই ধরনের মেয়ে আছে —

১. এরা অনার্স মাস্টার্স করে সার্টিফিকেট আনে। মাথায় কিছু নাই। শুধু বয়সটা বাড়ায় ভার্সিটিতে গিয়ে। তাদেরকে বেদ্বীন ছেলেরাও তেমন একটা দাম দেয়না বয়স বাড়তি হওয়ার কারণে। প্লাস, তাদের কোন ক্যারিয়ার নাই। ক্যারিয়ারিস্টিক মানুষজন এমন মেয়ে এড়িয়ে যায়। মোটামুটি দ্বীন মানে এমন ছেলেরাও বয়স বেশির কারণে এড়িয়ে যায়।

২. এই টাইপ মেয়েরা অনার্স মাস্টার্স করে চাকরি বাকরি করে, অল্প সংখ্যক বিদেশ যায়। তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা হয় নিজের যোগ্যতার কাউকে পাওয়া। এছাড়া তাদেরকে বেদ্বীন মানুষেরা বিয়ে করতে আগ্রহীই থাকে।

দ্বীন মানে এমন ছেলেদের একটা অংশ এই উভয় শ্রেণীকেই এড়িয়ে যায়। কারণ তারা ভার্সিটির পরিবেশ সম্পর্কে জানে, বয়স কম চায়। কেউ কেউ উপরে বলা দুই নাম্বার ক্যাটাগরির মেয়েদের মাঝে যারা চাকরি করতে চায়না, ভার্সিটিতেও কষ্ট করে পর্দা করে তাদেরকে বিয়ে করে।

উভয় ক্ষেত্রে বিপদে পড়ে প্রথম শ্রেণির মেয়েরা। এদের সময় উপযোগী জ্ঞান নাই, বুদ্ধি নাই, বয়স বাড়িয়েছে এক টুকরো কাগজের আশায়। এই শ্রেণির মেয়েরা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি।

সবাই যেটা দিনশেষে আফসোস করে, বয়স নিয়ে। বয়স কম থাকতে তাদের যে আবেগ, নমনীয়তা, মেয়েলি স্বভাব থাকে এটা ভার্সিটির পরিবেশ নষ্ট করে দেয় অনেকটুকু।

কিছু কমেন্ট দেখলাম ভার্সিটিতে পড়তে যোগ্যতার আলাপ নিয়ে। ভার্সিটি কোন আহামরি জায়গা না যে এখানে পড়ুয়া মানুষের জ্ঞান বেশি থাকে। এটা নিয়ে অহংকার খুবই লোয়ার ক্লাসের চিন্তা।

— Rafael Hasan

No comments:

Post a Comment

 পাকিস্তানের বিখ্যাত এক আলেম দুই বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার স্বামী যে দ্বিতীয় বিয়ে করল, আপনি এতে কষ্ট পাননি? . ম...